মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

খাল ও নদী

 

১। ঝিনাই নদীঃ-

 

            টাঙ্গাইল সদর উপজেলা থেকে ফুলকী ইউনিয়নের একঢালা গ্রাম দিয়ে বাসাইল সীমান্তে সংযুক্ত হয়। সীমান্ত থেকে দোহার গ্রাম পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোড় গ্রাম দিয়ে কাশিল, বন্দেভাট পাড়া, বাসাইল ইউনিয়নের বালিনা, হাবলা ইউনিয়নের ভৈরপাড়া, হাবলা টেঙ্গুরিয়াপাড়া এবং কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান কাঞ্চনপুর হয়ে মির্জাপুর উপজেলায় প্রবেশ করে। ঝিনাই নদীর একটি খাল কাশিল থেকে হাবলা, আরোহা, ভৈরপাড়া হয়ে পুনরায় ঝিনাই নদীতে পতিত হয়। এই খালের একটি শাখা কাশিল থেকে আরোহা নদীতে পতিত হয়ে পাটখাগুরী গ্রামের নিচু এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। হাবলা টেঙ্গুরিয়াপাড়া হতে আর একটি খাল মির্জাপুর সীমান্ত ঘুরে এক সময় মির্জাপুরেই প্রবেশ করে, আদাজানের পূর্বদিকে ঝিনাই নদী হতে একটি খাল কাঞ্চনপুর- ব্রাহ্মণপাড়িল হয়ে বাসাইলের নিচু এলাকায় এসে পতিত হয়েছে।

 

২। লাঙ্গুলিয়া নদীঃ-

 

            লাঙ্গুলিয়া বংশাই নদী হতে উৎপত্তি হয়ে খাটরা দিয়ে বাসাইল উপজেলায় প্রবেশ করে। অতঃপর বাদিয়াজান, সেহরাইল, ফুলবাড়ী, বালিয়া, বাঘিল, মাইজখাড়া ও সায়ের হয়ে বন্দেভাটপাড়ায় ঝিনাই নদীর সাথে মিলিত হয়। সেহরাইলের নীচু এলাকা থেকে একটি খাল বের হয়ে বাসাইল-সুন্না সড়কের পাশ দিয়ে সুন্না বাজার হয়ে বংশী নদীতে পতিত হয়। এই খালটি মইষাখালী ব্রীজের কাছে মইষাখালী খাল, সুন্না সড়কে বেংড়াখালী খাল নামে পরিচিত। খাটরার একটু উত্তর পাশে লাঙ্গুলিয়া নদী হতে একটি খাল উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে কাউলজানীর নিচু এলাকায় শেষ হয়। লাঙ্গুলিয়া নদী হতে একটি শাখা খাটরা বাদিয়াজান হয়ে কালিহাতী থানায় প্রবেশ করেছে। অপরদিকে করটিয়াপাড়া বিল থেকে পানি নিস্কাশনের জন্য একটি খাল বহু পূর্বে কেটে স্থল বল্লা, সায়ের হয়ে পশ্চিমে বী্রজের তলা দিয়ে লাঙ্গুলিয়া নদী প্রবাহের সাথে সংযুক্ত করা হয়। স্থানীয়ভাবে এটি খসরুখালী খাল নামে পরিচিত। ব্রীজের পার্শ্বে একটি স্লুইস গেটের মাধ্যমে এর পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সেহরাইল থেকে একটি শাখা সরাসরি বাসাইল ইউনিয়নের মাইজখাড়া গ্রাম দিয়ে প্রবেশ করে ঐ শাখাটি বাসাইল বাজার ফুড গোডাউনের (রায় বাড়ীর) সম্মুখ দিয়ে চাপড়া বিলে পতিত হয়। চাপড়া বিল হয়ে এই নদীটি রাসড়া সৈদামপুর হয়ে পুনরায় বংশাই নদীতে পতিত হয়। রাসড়া-সৈদামপুরের নদীর এ অংশটি কুচিয়া মারার খাল নামে পরিচেত। বাসাইল মাইজখাড়া হয়ে কাউলজানী নয়া বাজার সড়ক তৈরী হওয়ায় নদীর গতি বাধা পড়ে ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে শুকনা মৌসুমে মরা নদীতে পরিণত হয়। তাই স্থানীয় ভাবে বাসাইল ইউনিয়নে এ নদীটি মরা গাঙ হিসাবে পরিচিত।

 

 

 

 

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter